September 25, 2026, 8:13 am

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন /
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বের যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। একই সঙ্গে রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং সম্মান ও মর্যাদার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি চাপের মুখে পড়ছে। এর ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা, সরবরাহব্যবস্থা ও মূল্যস্ফীতিসহ নানা ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মানবিক সংকট ও বাস্তুচ্যুতি বাড়ছে।
প্রধানমন্ত্রী একটি শান্তিপূর্ণ ও মানবিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, পরিবর্তনের হাতিয়ার হওয়া উচিত যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা—মারণাস্ত্র নয়।
ভাষণে তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ন্যায্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রতিও বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি ও মানবতার সেবায় বাংলাদেশ ভবিষ্যতেও জাতিসংঘের উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বানও জানান তিনি।